আমদানি বাড়লেও সাতক্ষীরায় ঊর্ধ্বমুখী গুঁড়া হলুদের দাম

ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) অন্তত সাড়ে পাঁচ হাজার টন বেড়েছে।

ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) অন্তত সাড়ে পাঁচ হাজার টন বেড়েছে। তবে আমদানি বাড়লেও দাম কমছে না গুঁড়া হলুদের। এক থেকে দেড় মাসের ব্যবধানে পণ্যটির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত। গতকাল সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের কয়েকটি মসলা আড়ত ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

গতকাল সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজারের মসলা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফাতেমা স্টোরে প্রতি কেজি গুঁড়া হলুদ বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকা কেজি দরে, এক থেকে দেড় মাস আগেও যা ছিল কেজিতে ৩০০ টাকা।

প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক বলেন, ‘পাইকারিতে দাম বাড়ার কারণে খুচরা বাজারে তার প্রভাব পড়েছে।’

সাতক্ষীরার পাইকারি মসলা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স ঠাকুর স্টোরে গতকাল প্রতি কেজি গুঁড়া হলুদ পাইকারিতে বিক্রি হয়েছে ৩০০-৩১০ টাকায়। খুচরায় তা পড়েছে কেজিতে ৪০০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারিতে সামান্য বাড়লেও খুচরা বাজারে অনেক বেশি দামে গুঁড়া হলুদ বিক্রি হচ্ছে। এক মাস আগেও পাইকারিতে এর দাম ছিল কেজিপ্রতি ২৭০-২৮০ টাকা।

সাতক্ষীরার দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বাতাকে জানান, দাম বাড়ার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। ক্রয়মূল্যের সঙ্গে বিক্রয়মূল্যের সামঞ্জস্য না থাকলে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব বিভাগ থেকে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বন্দর দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি হয়েছে ১৫ হাজার ৭৭২ টন, যার আমদানি মূল্য ছিল ২৭৪ কোটি ৮ লাখ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময় ১৬২ কোটি ৯১ লাখ টাকা মূল্যের ১০ হাজার ২০৯ টন হলুদ আমদানি হয়েছিল। এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এ বন্দর দিয়ে পণ্যটির আমদানি বেড়েছে ৫ হাজার ৫৬৩ টন।

আমদানি বাড়ার কারণ হিসেবে ভোমরা বন্দরের মসলাজাত পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আবু হাসান বলেন, ‘দেশের বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় আমদানি বেড়েছে শুকনা হলুদের। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে তার প্রতিষ্ঠানে পণ্যটির আমদানি বেড়েছে অন্তত ৩৫-৪০ শতাংশ।’

আরও